৩ দিন আগে আপনারা যাকে নিয়ে মজা নিচ্ছিলেন, “লিংক আছে?” বলে ইনবক্সে ভিড় করছিলেন, সেই ১৫ বছরের বোনটা আজ কবরে। গল্প শেষ। আপনাদের বিনোদন শেষ।
সে কাউকে বিশ্বাস করেছিলো। আর সেই বিশ্বাসের মানুষটাই তাকে বাজারে বিক্রি করে দিলো। তার সবচেয়ে ব্যক্তিগত মুহূর্তটা টেলিগ্রাম থেকে ফেসবুক, ফেসবুক থেকে মেসেঞ্জারে ঘুরতে থাকলো। আপনারা দেখলেন, হাসলেন, শেয়ার দিলেন।
মেয়েটা সহ্য করতে পারেনি। এই সমাজের চোখ, পরিবারের চোখ, আপনাদের ট্রলের চোখ থেকে বাঁচতে সে চোখটাই বন্ধ করে দিলো চিরদিনের জন্য।
এখন বলুন, কে মারলো তাকে?
যে ছেলেটা ভিডিও ছাড়লো সে একা? নাকি আমরা যারা ভিডিওটা ভাইরাল করলাম, তারাও খুনি?
আমরা অন্যের বোনের ইজ্জতকে কন্টেন্ট বানাই, কিন্তু নিজের বোনের বেলায় আমরা ফেরেশতা হয়ে যাই। এই দুই মুখো চরিত্র আর কতদিন?
প্লিজ, থামুন। কারো ব্যক্তিগত ভিডিও সামনে আসলে দেখবেন না, ছড়াবেন না। একটা ভিউয়ের জন্য একটা প্রাণ নেবেন না।
আর প্রশাসনকে বলবো, এই বিশ্বাসঘাতক ছেলেটাকে এমন শাস্তি দিন যাতে আর কোনো ছেলে কোনো মেয়ের জীবন নিয়ে খেলার আগে তার এই বোনটার মুখটা মনে পড়ে।
আল্লাহ বোনটাকে মাফ করে দাও।