সেদিন একটা নিউজ ভাইরাল হইছিল না! মা তার ছেলের সাথে থাকতে চাচ্ছে কিন্তু ছেলে রাজি না৷ কিন্তু এর পেছনে অন্য ঘটনা আছে যেটা আমরা জানিনা৷
এই ভাইয়ের নাম সাগর হোসেন৷ তিনি একজন গ্রাম্য পুলিশ৷ কয়েকদিন আগে একটা ভিডিও দেখে আমার খারাপ লাগছিল খুব যে একজন মা কেঁদে কেঁদে সন্তানের সাথে থাকতে চাচ্ছে কিন্তু সন্তান রাজি হচ্ছে না৷ আমি নিজেও পোস্ট করছিলাম এটা নিয়ে৷ তখন মনে হয়েছে হয়তো এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা আছে৷ না হলে একজন সন্তান এতো পাথর হবে কেন৷
সাগর হোসেন থেকে জানতে পারি, “তার মা নাকি প্রতিদিন তাকে বলতো তার বউকে ছেড়ে দিতে৷ সাগর বলে, ভাই আমার সন্তান আমার বউয়ের পেটে। আমি আমার বউকে কেমনে ছাড়ি? আর সে তো কোনো দোষ করে নাই৷ তাহলে তার সাথে অন্যায় করবো কেন?
আমি রাজি হই নাই দেখে আমার মা আমাকে বলে! তোমাকে আমি একটা ওষুধ দিচ্ছি তুমি ওষুধ খাইয়া বৌমার পেট থেকে বাচ্চা ফেলে দিয়ে তুমি বৌমাকে ছেড়ে দাও৷
এটা শুনেই তো আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়৷ এটা নিয়ে উনার সাথে আমার অনেক ঝামেলা হয়৷ তারপর থেকে আমি আমার বউ নিয়ে আলাদা ভাড়া থাকি৷
এতোকিছুর পরেও আমার মা থামে নাই৷ সে আমার মামার সাথে মিলে করে আমার বাসায় এসে আমার ওয়াইফ এবং আমার ছেলেকে মা%রার প্ল্যান করবে৷
আমি বিয়ে করার পর থেকেই আমার বউকে আমার মা দেখতে পারে না। কেন পারে না আমি জানিনা৷
আপনারা শুধু এটুকু বোঝেন আমি তার সন্তান৷ এমন করে আমারও তো সন্তান আমার ছেলে৷ তাই আমি বাধ্য হয়ে আমার মা থেকে দূরে সরে আসছি৷ তিনি আরো বলে তুই যদি তোর বউকে না ছেড়ে দিস ও তোর বউয়ের পেটের বাচ্চা না ফেলা দিস, তাইলে আমি তোর সাথে থাকবো না। এই বলে আমার বাসা থেকে চলে গেছে সব জিনিস পাতি নিয়ে!”
সত্যি বলতে এখানে আমি ছেলেটার কোনো দোষ দেখছি না সত্য মিথ্যা কোনটা তারা ভালো জানে৷ তবে বাংলাদেশে এমন শাশুড়ির অভাব নাই যারা ছেলের বউকে নিজের প্রতিযোগী মনে করে৷
ছেলে তার বউরে কিছু দিলে সহ্য হয় না৷ কোথাও ঘুরতে গেলে সহ্য হয় না৷ এমনকি মনে করে বিয়ের পর নাকি বউকে বেশি প্রায়োরিটি দেয়৷ আমি বুঝলাম না! মা আর বউ দুটো কি এক নাকি৷ মা তার সম্মান তার জায়গায়৷ স্ত্রী সে তার স্বামীর কাছে তার নিজস্ব স্থানে৷ এখানে এতো হিংসে করার কি আছে৷
সব শাশুড়ি আবু বকরের মা খুশবকতের মতন হয় না৷ কিছু শাশুড়ি জারিয়াবের মা সামসার মতনও হয় 🙂
আপনার কি মনে হয়! এমন পরিস্থিতিতে ছেলের কি করা উচিত ছিলো? বা সে যা করছে সেটা ঠিক?