Dhaka ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজের স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না?? সকল পুরুষের লেখাটি পড়া উচিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ২১৩ Time View

আমার স্ত্রী দেখতে সুন্দর। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমদের বিয়ে হয়েছে আট বছর হলো। পাঁচ বছর বয়সী একটা মেয়ে সন্তান রয়েছে।

‎অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!

‎আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে। বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, ‘জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।’

‎আসলে ক্লান্তি টলান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না।

‎X আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, ‘এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?’

‎তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি।

‎একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?

‎আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, “আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?” বললাম, “জী করি।”

‎”আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।”

‎”কী সেটা?”

‎”সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, ‘হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি’।”

‎‎এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।

‎সন্দেহ নিয়ে বললাম, “এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?”

‎ডাক্তার হেসে বললেন, “অবশ্যই হবে।”

‎তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।

‎কথা দিলাম। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।”

‎শেষে ডাক্তার বললেন, “এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।”

‎আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম।

‎চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লোলুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোেখ সরিয়ে নিলাম।

‎এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।

‎এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্তমৈথুন করে নিজেকে শীতল করবো।

‎গুগলে প*র্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।

‎এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।

‎সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে। বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, “এষা, কোথায় তুমি?”

‎স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি। ও আশ্চর্য হয়ে বললো, “কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?”

‎সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে। সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, “মেয়েটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?”

‎স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, “ভালোবাসি এষা। ভালোবাসি।”

‎পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার বললেন, “এখনো তো এক মাস পার হয় নি।”

‎‎হেসে বললাম, “সমস্যা দূর হয়ে গেছে।”

‎ডাক্তার বললেন, “স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।”

‎ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশি গলায় বললাম, “ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।”

‎আমার মনে হয় এই সমস্যাটা শুধু আমার না আমাদের দেশের প্রায় ৯০% পুরুষেরই হয়।

‎যারা পর*নারীর বা অন্য কোন খারাপ কাজ থেকে দৃষ্টি ফিরাতে পারছেন না, তাদের জন্য খুবই উপকারী পোষ্ট!”‎

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

নিজের স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না?? সকল পুরুষের লেখাটি পড়া উচিত

Update Time : ০২:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

আমার স্ত্রী দেখতে সুন্দর। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমদের বিয়ে হয়েছে আট বছর হলো। পাঁচ বছর বয়সী একটা মেয়ে সন্তান রয়েছে।

‎অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!

‎আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে। বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, ‘জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।’

‎আসলে ক্লান্তি টলান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না।

‎X আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, ‘এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?’

‎তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি।

‎একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?

‎আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, “আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?” বললাম, “জী করি।”

‎”আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।”

‎”কী সেটা?”

‎”সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, ‘হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি’।”

‎‎এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।

‎সন্দেহ নিয়ে বললাম, “এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?”

‎ডাক্তার হেসে বললেন, “অবশ্যই হবে।”

‎তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।

‎কথা দিলাম। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।”

‎শেষে ডাক্তার বললেন, “এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।”

‎আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম।

‎চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লোলুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোেখ সরিয়ে নিলাম।

‎এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।

‎এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্তমৈথুন করে নিজেকে শীতল করবো।

‎গুগলে প*র্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।

‎এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।

‎সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে। বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, “এষা, কোথায় তুমি?”

‎স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি। ও আশ্চর্য হয়ে বললো, “কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?”

‎সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে। সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, “মেয়েটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?”

‎স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, “ভালোবাসি এষা। ভালোবাসি।”

‎পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার বললেন, “এখনো তো এক মাস পার হয় নি।”

‎‎হেসে বললাম, “সমস্যা দূর হয়ে গেছে।”

‎ডাক্তার বললেন, “স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।”

‎ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশি গলায় বললাম, “ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।”

‎আমার মনে হয় এই সমস্যাটা শুধু আমার না আমাদের দেশের প্রায় ৯০% পুরুষেরই হয়।

‎যারা পর*নারীর বা অন্য কোন খারাপ কাজ থেকে দৃষ্টি ফিরাতে পারছেন না, তাদের জন্য খুবই উপকারী পোষ্ট!”‎