০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নারী ফুটবলারের

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রমীলা ফুটবলার মৌ রানী দাসের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ভাঙ্গাডহর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

মৌ রানী দাস (১৭) উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ভাঙ্গাডহর গ্রামের সুষেন দাসের মেয়ে। তিনি দিরাই স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাবের একজন খেলোয়াড় ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকা ফুটবল লীগেরও নিয়মিত একজন খেলোয়াড় ছিলেন।

মৌ রানীর বাবা সুষেন দাস বলেন, মৌ বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের সবার সঙ্গে সকালের নাস্তা করেছে। এ সময় আমিও হাওরে ক্ষেতে (জমিতে) কাজ করতে যাই। পরে সকাল ১০ টার দিকে মেয়ের এমন মৃত্যুর সংবাদ শুনে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি।

তিনি বলেন, আমার মেয়ের খুব স্বপ্ন ছিল সে একজন জাতীয় ফুটবলার হবে। তার স্বপ্নপূরণে আমিও যথাসাধ্য চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু স্বপ্ন পূরণের আগেই আমার মেয়ে ওপারে চলে গেল।

শোক প্রকাশ করে একই ক্লাবের সহপাঠী খেলোয়াড় সুর্বনা আক্তার ইমা বলেন, মৌ খুব ভালো খেলোয়াড় ছিল। আমরা দীর্ঘদিন একই সঙ্গে খেলাধুলা করেছি। কুমিল্লায় বিকেএসপির টিমে খেলতে গিয়ে একইসঙ্গে আমরা এক মাস ছিলাম।

তিনি আরও বলেন, মৌয়ের স্বপ্ন ছিল সে একজন জাতীয় খেলোয়াড় হবে। তার সেই স্বপ্ন আর পূরণ হল না। তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

দিরাই থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। পরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

রাতে একসঙ্গে ৩ জনকে দিতে হতো ছাত্রীকে, রইল ভিডিওর লিংকসহ

ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নারী ফুটবলারের

আপডেট সময়ঃ ০২:১৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০২৪

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রমীলা ফুটবলার মৌ রানী দাসের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ভাঙ্গাডহর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

মৌ রানী দাস (১৭) উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ভাঙ্গাডহর গ্রামের সুষেন দাসের মেয়ে। তিনি দিরাই স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাবের একজন খেলোয়াড় ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকা ফুটবল লীগেরও নিয়মিত একজন খেলোয়াড় ছিলেন।

মৌ রানীর বাবা সুষেন দাস বলেন, মৌ বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিবারের সবার সঙ্গে সকালের নাস্তা করেছে। এ সময় আমিও হাওরে ক্ষেতে (জমিতে) কাজ করতে যাই। পরে সকাল ১০ টার দিকে মেয়ের এমন মৃত্যুর সংবাদ শুনে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি।

তিনি বলেন, আমার মেয়ের খুব স্বপ্ন ছিল সে একজন জাতীয় ফুটবলার হবে। তার স্বপ্নপূরণে আমিও যথাসাধ্য চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু স্বপ্ন পূরণের আগেই আমার মেয়ে ওপারে চলে গেল।

শোক প্রকাশ করে একই ক্লাবের সহপাঠী খেলোয়াড় সুর্বনা আক্তার ইমা বলেন, মৌ খুব ভালো খেলোয়াড় ছিল। আমরা দীর্ঘদিন একই সঙ্গে খেলাধুলা করেছি। কুমিল্লায় বিকেএসপির টিমে খেলতে গিয়ে একইসঙ্গে আমরা এক মাস ছিলাম।

তিনি আরও বলেন, মৌয়ের স্বপ্ন ছিল সে একজন জাতীয় খেলোয়াড় হবে। তার সেই স্বপ্ন আর পূরণ হল না। তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

দিরাই থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। পরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়।