সাতক্ষীরার এমপি নজরুল আ’/দালতে গিয়ে সবার সামনে বলে…see more

সাতক্ষীরার এমপি নজরুল আদালতে গিয়ে সবার সামনে যা বললেন, মরিয়মের মৃত্যু নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুকে ঘিরে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। ঘটনার পর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে হাজির হন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম। আদালতে রিমান্ড শুনানি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন নজরুল।

আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে গাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ও প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা। মরিয়মের মৃত্যুর সময় তিনি বাসায় ছিলেন না বলেও সেদিন সাংবাদিকদের কাছে বক্তব্য দেন। মরিয়ম কেন আত্মহত্যা করেছেন—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি জানেন না।

তবে পরবর্তী রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর দেওয়া বক্তব্য নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রথম আলো জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে নজরুল ঘটনার সময় বাসায় থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সকালে বাসা থেকে বের হয়ে বিভিন্ন কাজ শেষে দুপুরের দিকে ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে ফেরেন। সেখানে এলাকার কয়েকজন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খান।

খাওয়া শেষে মরিয়ম খেয়েছেন কি না, তা জানতে তাঁর কক্ষের সামনে যান বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তখন কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে একপর্যায়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে দরজা খুলে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এদিকে মরিয়মের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকে তিনি বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কথা পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন। মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি; তদন্ত চলছে।

মামলাটি বর্তমানে ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাঁদের কাছ থে

Author: Janatar Barta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *