Dhaka ০৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যাবে : ইসলামের স্পষ্ট বিধান!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩৫৮ Time View

স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে স’হবাস করা যাবে? ইসলামের স্পষ্ট বিধান
ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিধান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ? এই প্রতিবেদনে কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিষয়টি তুলে ধরা হলো।
ইসলামের মৌলিক বিধান
ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ।
কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা
“আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংযত রাখে-
শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে…”
– সূরা আল-মুমিনূন (২৩:৫-৬)
এই আয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবল স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম?
বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি)
মাহরাম নারী- মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদি, নানি
পরকীয়া সম্পর্কের নারী
বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ
ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দাসী বিষয়টি বর্তমান যুগে প্রযোজ্য নয়। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একমাত্র বৈধ সম্পর্ক হলো আইনসম্মত ও শরিয়তসম্মত বিবাহ।
সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত
ইসলামে স্ত্রী ছাড়া কোনো নারীর সাথে সহবাস করা সম্পূর্ণ হারাম। পারিবারিক পবিত্রতা ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ইসলাম এই বিধান দিয়েছে।
ইসলামি জীবনব্যবস্থা ও শরিয়ত বিষয়ক আরও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

স্ত্রীর বু’কের দুধ পান করে ফেললে কি স্বামী-স্ত্রীর তা’লাক হয়ে যায়: ইসলাম যা বলছে..

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যাবে : ইসলামের স্পষ্ট বিধান!

Update Time : ০৩:০৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে স’হবাস করা যাবে? ইসলামের স্পষ্ট বিধান
ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিধান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ? এই প্রতিবেদনে কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিষয়টি তুলে ধরা হলো।
ইসলামের মৌলিক বিধান
ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ।
কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা
“আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংযত রাখে-
শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে…”
– সূরা আল-মুমিনূন (২৩:৫-৬)
এই আয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবল স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম?
বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি)
মাহরাম নারী- মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদি, নানি
পরকীয়া সম্পর্কের নারী
বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ
ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দাসী বিষয়টি বর্তমান যুগে প্রযোজ্য নয়। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একমাত্র বৈধ সম্পর্ক হলো আইনসম্মত ও শরিয়তসম্মত বিবাহ।
সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত
ইসলামে স্ত্রী ছাড়া কোনো নারীর সাথে সহবাস করা সম্পূর্ণ হারাম। পারিবারিক পবিত্রতা ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ইসলাম এই বিধান দিয়েছে।
ইসলামি জীবনব্যবস্থা ও শরিয়ত বিষয়ক আরও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।