Dhaka ১০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হঠাৎ বড় ধরনের প’ত’ন স্বর্ণের দামে, ভরি কত?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩১ Time View

ইরা’ন ও যুক্ত’রাষ্ট্রের চলমান শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে।

সোমবার (১৩ মার্চ) দিনের শুরুতেই লেনদেন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমে যায়।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম) বা গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১টা ২৩ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭২৮.৫৯ ডলারে নেমে আসে। এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়।

অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার বাজারেও দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৫২.২০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী সংঘাতের পর স্বর্ণের দামে ১০ শতাংশেরও বেশি পতন ঘটেছে।

সাধারণভাবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বা মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উচ্চ সুদের হার এ বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে, কারণ স্বর্ণ কোনো ধরনের সুদ প্রদান করে না।

এছাড়া মার্কিন ডলারের মানও প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

হঠাৎ বড় ধরনের প’ত’ন স্বর্ণের দামে, ভরি কত?

Update Time : ০২:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ইরা’ন ও যুক্ত’রাষ্ট্রের চলমান শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন লক্ষ্য করা গেছে।

সোমবার (১৩ মার্চ) দিনের শুরুতেই লেনদেন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমে যায়।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম) বা গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১টা ২৩ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭২৮.৫৯ ডলারে নেমে আসে। এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়।

অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার বাজারেও দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭৫২.২০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী সংঘাতের পর স্বর্ণের দামে ১০ শতাংশেরও বেশি পতন ঘটেছে।

সাধারণভাবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বা মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধরা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উচ্চ সুদের হার এ বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে, কারণ স্বর্ণ কোনো ধরনের সুদ প্রদান করে না।

এছাড়া মার্কিন ডলারের মানও প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারী বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের বাজারে চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।