এই ভদ্রলোক কে, আমি চিনি না। কিন্তু অটোরিকশা বন্ধের বিষয়ে উনি যা বলেছেন, সত্যি বলতে খুব ভালো লেগেছে আমার। ❤️
উনি বলেছেন—“প্রয়োজনে হেঁটে যাবো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেঁটে যাবো, তবুও আর অটোরিকশা চাই না!
আমাদের বাচ্চাকাচ্চা, মেয়েদের সাথে অটোরিকশাওয়ালারা যা করে! পারলে গায়ের ওপরই উঠিয়ে দেয়! হাঁটার অভ্যাস করবো। মানুষ অভ্যাসের দাস।
বাইরের দেশে এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে যেতে ১৫–২০ মিনিট লাগে, তারা কি হাঁটে না?
আমাদের মানুষ আরাম চায়! মাটিতে পা দিয়েই আরাম চায়! আমরা হেঁটে যাবো, তাও আর অটোরিকশা চাই না!”
এরপর তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল—“এটা কি গরিবের পেটে লাথি মারা নয়?”
উনি সুন্দর একটা কথা বলেছেন— “কেন? রিকশা চালানো ছাড়া কি আর কোনো কাজ নেই? অনেক কাজ আছে!”
ভদ্রলোককে সত্যিই স্যালুট।
আমি নিজেও কয়েকদিন আগে এই অটোরিকশাগুলোর বেপরোয়া গতির কারণে ব্যথা পেয়েছি, এমনকি মোবাইলের গ্লাস পর্যন্ত ফাটিয়ে ফেলেছি।
সব অটোরিকশাওয়ালা খারাপ—বিষয়টা তা নয়। কিন্তু যারা রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে চলে, যাত্রী বা পথচারীর নিরাপত্তার তোয়াক্কা করে না, তাদের থামানো জরুরি।
মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার চেয়ে কোনো যানবাহনের সুবিধা বড় হতে পারে না।
প্রয়োজনে একটু হাঁটবো, একটু কষ্ট করবো কিন্তু রাস্তায় সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক