Dhaka , Tuesday, 28 July 2026

মেয়ের মোবাইলে বাবা কল দিয়েছিলেন, জানতে চেয়েছিলেন মা, ঠিকমতো পৌঁছে…See more

  • Reporter Name
  • Update Time : 09:26 am, Tuesday, 30 June 2026
  • 3150 Time View

মেয়ের মোবাইলে বাবা কল দিয়েছিলেন, জানতে চেয়েছিলেন—‘মা, ঠিকমতো পৌঁছেছ তো?’

একজন বাবার কাছে সন্তানের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোই সবচেয়ে বড় স্বস্তি। তাই প্রতিদিনের মতো সেদিনও তিনি মেয়ের মোবাইলে ফোন করেছিলেন। স্নেহভরা কণ্ঠে শুধু জানতে চেয়েছিলেন, “মা, ঠিকমতো পৌঁছেছ তো?”

কিন্তু সেই ফোনের ওপাশ থেকে আর কোনো উত্তর আসেনি। বারবার কল করেও সাড়া না পেয়ে বাবার মনে দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে। প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো ব্যস্ত আছে বা ফোন সাইলেন্টে রাখা। কিন্তু সময় যত গড়াতে থাকে, উদ্বেগ ততই বাড়তে থাকে।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিতে শুরু করেন। পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, সম্ভাব্য সব জায়গায় অনুসন্ধান চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত যে খবরটি আসে, তা পুরো পরিবারকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে দেয়। একটি সুখী পরিবারের স্বপ্ন মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

সন্তানদের নিরাপত্তা শুধু পরিবারের নয়, সমাজেরও দায়িত্ব। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা যেন আর কোনো পরিবারকে দেখতে না হয়—এটাই সবার প্রত্যাশা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মেয়ের মোবাইলে বাবা কল দিয়েছিলেন, জানতে চেয়েছিলেন মা, ঠিকমতো পৌঁছে…See more

Update Time : 09:26 am, Tuesday, 30 June 2026

মেয়ের মোবাইলে বাবা কল দিয়েছিলেন, জানতে চেয়েছিলেন—‘মা, ঠিকমতো পৌঁছেছ তো?’

একজন বাবার কাছে সন্তানের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোই সবচেয়ে বড় স্বস্তি। তাই প্রতিদিনের মতো সেদিনও তিনি মেয়ের মোবাইলে ফোন করেছিলেন। স্নেহভরা কণ্ঠে শুধু জানতে চেয়েছিলেন, “মা, ঠিকমতো পৌঁছেছ তো?”

কিন্তু সেই ফোনের ওপাশ থেকে আর কোনো উত্তর আসেনি। বারবার কল করেও সাড়া না পেয়ে বাবার মনে দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে। প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো ব্যস্ত আছে বা ফোন সাইলেন্টে রাখা। কিন্তু সময় যত গড়াতে থাকে, উদ্বেগ ততই বাড়তে থাকে।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিতে শুরু করেন। পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, সম্ভাব্য সব জায়গায় অনুসন্ধান চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত যে খবরটি আসে, তা পুরো পরিবারকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে দেয়। একটি সুখী পরিবারের স্বপ্ন মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

সন্তানদের নিরাপত্তা শুধু পরিবারের নয়, সমাজেরও দায়িত্ব। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা যেন আর কোনো পরিবারকে দেখতে না হয়—এটাই সবার প্রত্যাশা।