Dhaka , Monday, 27 July 2026
News Title :
বুবলির পর দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্চেন অপু কিন্তু বাবা কি শাকিব খান… See more ১০ বছরের তুহিন। ক্লাস ফোরে পড়তো। সকালে বাসা থেকে নিজের….see more প্রতি মন পেঁয়াজ বিক্রি আছে…. see more দাম্পত্য সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি…see more নারীর শরীরের কোন কোন অংশ সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল? জেনে নিন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা…see more বিশেষ বার্তা, আমির হামজা গত রাতে ল্যাব এইড হাসপাতালে…..see more রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …See more জামায়াত এমপিকে নি’র্দোষ দাবী পু*লিশের ; মেয়েটি তার বিবাহিত স্ত্রী….see more এই কুলাঙ্গার তার নিজ মাকে মেরে আহত কর…see more হার্ট অ্যা/টাকের ১ মাস আগে থেকেই যে ২ লক্ষণ দেখা দেয়…see more
News Title :
বুবলির পর দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্চেন অপু কিন্তু বাবা কি শাকিব খান… See more ১০ বছরের তুহিন। ক্লাস ফোরে পড়তো। সকালে বাসা থেকে নিজের….see more প্রতি মন পেঁয়াজ বিক্রি আছে…. see more দাম্পত্য সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি…see more নারীর শরীরের কোন কোন অংশ সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল? জেনে নিন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা…see more বিশেষ বার্তা, আমির হামজা গত রাতে ল্যাব এইড হাসপাতালে…..see more রাত ১২ টা বর ডাকছে ঘুমের জন্য যখনই রুমে ঢুকলাম বালিশের নিচে তাকিয়ে দেখি …See more জামায়াত এমপিকে নি’র্দোষ দাবী পু*লিশের ; মেয়েটি তার বিবাহিত স্ত্রী….see more এই কুলাঙ্গার তার নিজ মাকে মেরে আহত কর…see more হার্ট অ্যা/টাকের ১ মাস আগে থেকেই যে ২ লক্ষণ দেখা দেয়…see more

কী পরিমাণ অমানুষ এরা একবার ভাবেন! এই দুই ভাই মিলে তারই নিজের আপন…See more

  • Reporter Name
  • Update Time : 05:08 am, Saturday, 18 July 2026
  • 5854 Time View

কোনমতে ঘাড় নেড়ে ভালো বললো রিনি। ওর কোমরে তখন প্রণব নিজের গরম লোহার ডান্ডার মত শক্ত মোটকা বাড়াটাকে চেপে ধরেছে। পুরুষাঙ্গের সাথে এই প্রথম পরিচয় রিনির নরম শরীরের। সারা শরীরে আবার কাঁপুনি এসে গেলো। এত শক্ত ! এত গরম ! এত বড় ! বন্ধুদের মুখে শোনা আর বাস্তবে নিজের কোমরের উপর স্পর্শ পাওয়া একদম আলাদা হাড়ে হাড়ে টের পেল রিনি। ওর মাখনের মতো গুদ আরো ভিজে গেল। দুধের বোঁটা গুলো কি চুলকাতে শুরু করে দিলো ! উফফফফ! রিনি আরো ছটফটানি শুরু করলো। ঠিক এই সময়েই ওকে ছেড়ে দিলো প্রণব। এটাই প্রণব চায়। খিদে জাগিয়ে ছেড়ে দাও। ও এবার নিজেই আসবে। কিন্তু রিনি ছাড়া পেয়েই জড়সড় হয়ে জামা কাপড় ঠিক করে খাটের কোণায় গিয়ে বসল। হঠাৎ আলো চলে এল। প্রণব ওকে ভালো করে দেখছিল। রিনির রসালো ঠোঁট দুটো আরো লাল হয়ে গেছে প্রণবের ঠোঁটের চাপে। রিনিকে বললো,

– দ্যাখ, যা বৃষ্টি হচ্ছে তাতে তুই আর এখন বাড়ি যেতে পারবি না। আর সেই কারণেই আমি যা যা বলব করব সব চুপচাপ মেনে নিবি। কেউ যেন জানতে না পারে। মনে থাকবে ?

কোনরকমে মাথা নিচু করে রিনি সায় দিল। রিনির সায় পেয়ে প্রণব উঠে দাঁড়ালো। চা দুটো এখনও গরম আছে। ওর কাপটা ওকে এগিয়ে দিয়ে ওর পাশে বসে এক হাতে আবার ওকে জড়িয়ে ধরে নিজের কাছে টেনে নিলো। বললো

– নে চা টা খা। আজ আর অঙ্ক নয়। তোকে আজ একদম অন্য একটা জিনিস শেখাবো। যেটা তোর ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে। আজ আমরা নারী পুরুষের শরীরের শিক্ষা নেবো।

রিনির সেক্স সম্বন্ধে তেমন জ্ঞান না থাকলেও ও বুঝে গেল আজ ওর আর পালানোর পথ নেই। চা শেষ করে নিজের আর ওর কাপ সরিয়ে রাখল প্রণব। খেয়াল করলো রিনি চা প্রায় খেতেই পারে নি রিনি। ওকে টেনে নিয়ে নিজের বুকে আবার চেপে ধরে সরাসরি ওর স্তনে হাত রাখলো প্রণব। নরম তুলতুলে মাংস পিন্ড দুটো। এত নরম যে মনে হচ্ছে প্রণবের হাতের মধ্যে গলে যাবে। সাইজ বেশি বড় নয়। রিনিকে এমন ভাবে নিজের শরীরের সাথে চেপে ধরলো যাতে রিনি বাধা দিতে না পারে। বাঁ হাত দিয়ে ওর পিঠের পিছন দিয়ে ওর বাঁ হাত টা চেপে ধরলো আর ওর ডান হাত টা রাখল নিজের পিঠের পিছনে।

ব্যাস। রিনির আর নড়াচড়া করার উপায় নেই। তাও একবার কোনমতে বললো, স্যার প্লিজ স্যার ছেড়ে দিন। এমন করবেন না স্যার! প্রণবের তখন নেশা হয়ে গেছে। ওসব শোনার সময় কোথায়। দুটো মাখনের তাল চটকাতে ব্যস্ত ও। তবু রিনিকে চুপ করাতে ওর ঠোঁটে নিজের গরম ঠোঁট চেপে ধরলো ও। রিনি ছটফট করতে লাগলো। এবার ওর কামিজের নিচ দিয়ে হাত ঢোকালো প্রণব। সরাসরি দুদুর উপর নিয়ে গেলো।

ব্রা এর নিচ দিয়ে ঢুকিয়ে দিল নিজের হাতের থাবা। নরম ঠান্ডা মাখনের মত মাংস পিন্ড দুটো চটকাতে লাগলো মনের সুখে। এত নরম মাই আগে কোনদিনও পায়নি প্রণব। ভীষণ চুষতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু রিনিকে আরো গরম করতে হবে। নইলে ওকে ল্যাংটো করা যাবে না। রিনির একটা ভাললাগা সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ছিল। ঠিক এই চটকানোর জন্যই যেন ওর দুধ দুটো অপেক্ষা করছিল। ওর চোখ বন্ধ। ওর ঠোঁট থেকে ঠোঁট সরিয়ে রিনির কানে হাল্কা করে কামড় দিল প্রণব।

কানের মধ্যেই ওর গরম নিশ্বাসের সাথে সাথে ওর কানের ফুটোর মধ্যে জিভ ঢুকিয়ে দিল প্রণব। সারা শরীরটা থরথর করে কাঁপছিল রিনির। বাধা দেওয়ার প্রশ্নই নেই। সেই অসার অবস্থাতেই টের পেল ওর সালোয়ারের ফিতে খুলে দিল স্যার। স্যারের হাত ওর প্যান্টির ভিতরে ঢুকে পড়ল। ওর নরম তুলতুলে রসে জবজবে গুদে স্যারের মোটা মোটা শক্ত আঙ্গুল গুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভীষণ উত্তেজিত প্রণব নিজেও। এত নরম গুদ ! ইসস মেয়েটা একেবারে আনকোরা। ওর বোধহয় বয়ফ্রেন্ডও নেই। নইলে এই মাখন দুধ আর গুদ কেউ ছাড়ে ?

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বুবলির পর দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্চেন অপু কিন্তু বাবা কি শাকিব খান… See more

কী পরিমাণ অমানুষ এরা একবার ভাবেন! এই দুই ভাই মিলে তারই নিজের আপন…See more

Update Time : 05:08 am, Saturday, 18 July 2026

কোনমতে ঘাড় নেড়ে ভালো বললো রিনি। ওর কোমরে তখন প্রণব নিজের গরম লোহার ডান্ডার মত শক্ত মোটকা বাড়াটাকে চেপে ধরেছে। পুরুষাঙ্গের সাথে এই প্রথম পরিচয় রিনির নরম শরীরের। সারা শরীরে আবার কাঁপুনি এসে গেলো। এত শক্ত ! এত গরম ! এত বড় ! বন্ধুদের মুখে শোনা আর বাস্তবে নিজের কোমরের উপর স্পর্শ পাওয়া একদম আলাদা হাড়ে হাড়ে টের পেল রিনি। ওর মাখনের মতো গুদ আরো ভিজে গেল। দুধের বোঁটা গুলো কি চুলকাতে শুরু করে দিলো ! উফফফফ! রিনি আরো ছটফটানি শুরু করলো। ঠিক এই সময়েই ওকে ছেড়ে দিলো প্রণব। এটাই প্রণব চায়। খিদে জাগিয়ে ছেড়ে দাও। ও এবার নিজেই আসবে। কিন্তু রিনি ছাড়া পেয়েই জড়সড় হয়ে জামা কাপড় ঠিক করে খাটের কোণায় গিয়ে বসল। হঠাৎ আলো চলে এল। প্রণব ওকে ভালো করে দেখছিল। রিনির রসালো ঠোঁট দুটো আরো লাল হয়ে গেছে প্রণবের ঠোঁটের চাপে। রিনিকে বললো,

– দ্যাখ, যা বৃষ্টি হচ্ছে তাতে তুই আর এখন বাড়ি যেতে পারবি না। আর সেই কারণেই আমি যা যা বলব করব সব চুপচাপ মেনে নিবি। কেউ যেন জানতে না পারে। মনে থাকবে ?

কোনরকমে মাথা নিচু করে রিনি সায় দিল। রিনির সায় পেয়ে প্রণব উঠে দাঁড়ালো। চা দুটো এখনও গরম আছে। ওর কাপটা ওকে এগিয়ে দিয়ে ওর পাশে বসে এক হাতে আবার ওকে জড়িয়ে ধরে নিজের কাছে টেনে নিলো। বললো

– নে চা টা খা। আজ আর অঙ্ক নয়। তোকে আজ একদম অন্য একটা জিনিস শেখাবো। যেটা তোর ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে। আজ আমরা নারী পুরুষের শরীরের শিক্ষা নেবো।

রিনির সেক্স সম্বন্ধে তেমন জ্ঞান না থাকলেও ও বুঝে গেল আজ ওর আর পালানোর পথ নেই। চা শেষ করে নিজের আর ওর কাপ সরিয়ে রাখল প্রণব। খেয়াল করলো রিনি চা প্রায় খেতেই পারে নি রিনি। ওকে টেনে নিয়ে নিজের বুকে আবার চেপে ধরে সরাসরি ওর স্তনে হাত রাখলো প্রণব। নরম তুলতুলে মাংস পিন্ড দুটো। এত নরম যে মনে হচ্ছে প্রণবের হাতের মধ্যে গলে যাবে। সাইজ বেশি বড় নয়। রিনিকে এমন ভাবে নিজের শরীরের সাথে চেপে ধরলো যাতে রিনি বাধা দিতে না পারে। বাঁ হাত দিয়ে ওর পিঠের পিছন দিয়ে ওর বাঁ হাত টা চেপে ধরলো আর ওর ডান হাত টা রাখল নিজের পিঠের পিছনে।

ব্যাস। রিনির আর নড়াচড়া করার উপায় নেই। তাও একবার কোনমতে বললো, স্যার প্লিজ স্যার ছেড়ে দিন। এমন করবেন না স্যার! প্রণবের তখন নেশা হয়ে গেছে। ওসব শোনার সময় কোথায়। দুটো মাখনের তাল চটকাতে ব্যস্ত ও। তবু রিনিকে চুপ করাতে ওর ঠোঁটে নিজের গরম ঠোঁট চেপে ধরলো ও। রিনি ছটফট করতে লাগলো। এবার ওর কামিজের নিচ দিয়ে হাত ঢোকালো প্রণব। সরাসরি দুদুর উপর নিয়ে গেলো।

ব্রা এর নিচ দিয়ে ঢুকিয়ে দিল নিজের হাতের থাবা। নরম ঠান্ডা মাখনের মত মাংস পিন্ড দুটো চটকাতে লাগলো মনের সুখে। এত নরম মাই আগে কোনদিনও পায়নি প্রণব। ভীষণ চুষতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু রিনিকে আরো গরম করতে হবে। নইলে ওকে ল্যাংটো করা যাবে না। রিনির একটা ভাললাগা সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ছিল। ঠিক এই চটকানোর জন্যই যেন ওর দুধ দুটো অপেক্ষা করছিল। ওর চোখ বন্ধ। ওর ঠোঁট থেকে ঠোঁট সরিয়ে রিনির কানে হাল্কা করে কামড় দিল প্রণব।

কানের মধ্যেই ওর গরম নিশ্বাসের সাথে সাথে ওর কানের ফুটোর মধ্যে জিভ ঢুকিয়ে দিল প্রণব। সারা শরীরটা থরথর করে কাঁপছিল রিনির। বাধা দেওয়ার প্রশ্নই নেই। সেই অসার অবস্থাতেই টের পেল ওর সালোয়ারের ফিতে খুলে দিল স্যার। স্যারের হাত ওর প্যান্টির ভিতরে ঢুকে পড়ল। ওর নরম তুলতুলে রসে জবজবে গুদে স্যারের মোটা মোটা শক্ত আঙ্গুল গুলো ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভীষণ উত্তেজিত প্রণব নিজেও। এত নরম গুদ ! ইসস মেয়েটা একেবারে আনকোরা। ওর বোধহয় বয়ফ্রেন্ডও নেই। নইলে এই মাখন দুধ আর গুদ কেউ ছাড়ে ?