Dhaka , Sunday, 26 July 2026

এইডস রোগে আক্রান্তের অর্ধেকই মহিলা সমকামী, সংক্রমণের হার বেশি ঢ…see more

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:14 am, Tuesday, 21 July 2026
  • 106 Time View

এইডস রোগে আক্রান্তের অর্ধেকই মহিলা সমকামী, সংক্রমণের হার বেশি ঢাকায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক:
দেশে এইচআইভি ও এইডস সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন শনাক্ত হওয়া এইচআইভি আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ পুরুষে-পুরুষে যৌনসম্পর্ক (MSM) থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় রাজধানী ঢাকায় সংক্রমণের হার বেশি বলে বিভিন্ন জনস্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এইচআইভি কোনো নির্দিষ্ট পরিচয়ের মানুষের রোগ নয়। অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্ক, সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ, একই সুচ বা সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তির ব্যবহার এবং গর্ভাবস্থা, প্রসব বা স্তন্যপানের মাধ্যমে মা থেকে শিশুর শরীরে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত পরীক্ষা, নিরাপদ যৌন আচরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এইচআইভির সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বর্তমানে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরটি) চিকিৎসার মাধ্যমে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, এইচআইভি নিয়ে ভয় বা সামাজিক বৈষম্য নয়, বরং সঠিক তথ্য, সহমর্মিতা এবং জনসচেতনতাই সংক্রমণ প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

এইডস রোগে আক্রান্তের অর্ধেকই মহিলা সমকামী, সংক্রমণের হার বেশি ঢ…see more

Update Time : 11:14 am, Tuesday, 21 July 2026

এইডস রোগে আক্রান্তের অর্ধেকই মহিলা সমকামী, সংক্রমণের হার বেশি ঢাকায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক:
দেশে এইচআইভি ও এইডস সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন শনাক্ত হওয়া এইচআইভি আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ পুরুষে-পুরুষে যৌনসম্পর্ক (MSM) থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় রাজধানী ঢাকায় সংক্রমণের হার বেশি বলে বিভিন্ন জনস্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এইচআইভি কোনো নির্দিষ্ট পরিচয়ের মানুষের রোগ নয়। অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্ক, সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ, একই সুচ বা সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তির ব্যবহার এবং গর্ভাবস্থা, প্রসব বা স্তন্যপানের মাধ্যমে মা থেকে শিশুর শরীরে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত পরীক্ষা, নিরাপদ যৌন আচরণ এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এইচআইভির সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বর্তমানে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরটি) চিকিৎসার মাধ্যমে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, এইচআইভি নিয়ে ভয় বা সামাজিক বৈষম্য নয়, বরং সঠিক তথ্য, সহমর্মিতা এবং জনসচেতনতাই সংক্রমণ প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।