৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে না পারলে ১ জানুয়ারি থেকে বড় সংকট! কী অপেক্ষা করছে আওয়ামী লীগের ভাগ্যে?
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ পর্যন্ত দেশে ফিরতে না পারলে ১ জানুয়ারি থেকে তাঁর রাজনৈতিক নেতৃত্ব বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনি রাজনৈতিক অঙ্গনেও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। তিনি কি সত্যিই ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরবেন, নাকি শেষ পর্যন্ত নতুন কোনো পরিস্থিতির কারণে তাঁর ফেরার পরিকল্পনা পিছিয়ে যাবে? আর যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরতে না পারেন, তাহলে দলীয় নেতৃত্ব ও নেতাকর্মীদের ওপর এর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে—এসব বিষয় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৩১ ডিসেম্বর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে?
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন। দীর্ঘ সময় পর ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন তিনি।
তাঁর এই বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নতুন করে প্রত্যাশা ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। দলটির অনেক নেতাকর্মী তাঁর দেশে ফেরার ঘোষণাকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা বাস্তবায়ন করা তাঁর জন্য সহজ হবে না। কারণ দেশে ফেরার বিষয়টির সঙ্গে শুধু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং আইনি পরিস্থিতি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মতো বিষয়ও জড়িত।
১ জানুয়ারি থেকে কী ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে না পারলে তাঁর নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে দলের ভেতরে প্রশ্ন উঠতে পারে।
কারণ, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে দেশে ফেরার প্রত্যাশা তৈরি হওয়ার পরও যদি সেই ঘোষণা বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে তাঁদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষ করে ভবিষ্যতে দেশে ফেরার বিষয়ে নতুন কোনো ঘোষণা দিলে সেটি নেতাকর্মীদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।
তবে ১ জানুয়ারি থেকেই তাঁর নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে যাবে কিংবা কোনো নির্দিষ্ট আইনি ব্যবস্থা কার্যক