এই আপুনি কে বলতে দেখলাম, ”ছেলেদের রেজাল্ট খারাপের পিছনে ওদের ফ্রেন্ড সার্কেলের অনেক বড়ো ভূমিকা থাকে কিন্তু আমরা মেয়েরা একজন আরেকজন কে মোটিভেট করি!”
এইটার মতো ভোগাস কথা আর নাই! ছেলে মানুষ রেজাল্ট খারাপ করলে নিজের কারনেই করে কিন্তু আবার রেজাল্ট ভালো করলে ওইটার পিছনে তার সার্কেলের অবদান থাকে!
এক্সাম হলে ছেলেদের মতো কেউ ই হেল্প করেনা! দরকার পড়লে নিজের খাতাটাও দিয়া দেয় বন্ধুরে!
সামনের বেঞ্চে যে বসে,সে যা লিখে;পেছনের জন ও তাই লিখে!
কেমনে সম্ভব হয় এটা? কারন ছেলেদের মধ্যে ‘হিংসা’ জিনিস টা নাই ই। আমি পাশ করলে আমার বন্ধু ও পাশ করতে হবে,এই মেন্টালিটি ছেলেদের মধ্যে থাকে।
ছেলেরা এক্সাম হল থেকে এমন মেন্টালিটি নিয়ে বের হয়ে আসে যে আমি যা লিখছি,আমার বন্ধু ও তাই লিখছে। এক্সাম হলে ‘আমি বেশি পাইতে হবে’ এই মেন্টালিটি ছেলেদের থাকেনা। এই জায়গায় ওরা অন্যন্য! কেউ বিট করতে পারবেনা ❤️