প্রধানমন্ত্রী তা’রেক রহমানের সঙ্গে হাত মেলানোর সুযোগ পেয়ে আনন্দে… more

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে হাত মেলানোর সুযোগ পেয়ে আনন্দে পঞ্চমুখ ছোট্ট শি*শু!
আমি তারেক রহমানের সাথে হাত মিলাইছে, আমাকে ডাইকা নিছে, অনেক ভালো। আমার পড়ালেখার দায়িত্ব নিছে। আমি কেরানীগঞ্জে থাকি, আমি অনেকবার প্রধানমন্ত্রীকে ডাক দিছি, তাই হুনছে আমার কথা।

হাজারো মানুষের ভিড়, চারদিকে স্লোগান আর উৎসুক জনতার উপস্থিতি। এমন ব্যস্ত পরিবেশেও একটি ছোট্ট শিশুর ডাক যেন আলাদা করে নজর কেড়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। প্রচারিত ভিডিও ও দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী, রাজপথে মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে এগিয়ে যাওয়ার সময় শি*শুটির ডাক শুনে তিনি তার দিকে এগিয়ে যান। এরপর শি*শুটিকে কাছে ডেকে মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং তার সঙ্গে হাত মেলান।

ঘটনাটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর শি*শু*টির উচ্ছ্বাস। আনন্দে হাসতে হাসতে সে ফিরে আসে রাস্তার পাশে। তার মুখের হাসি আর চোখেমুখের উচ্ছ্বাস দেখে বোঝা যায়, মুহূর্তটি তার কাছে কতটা বিশেষ হয়ে উঠেছিল।

পরে শি*শু*টির সঙ্গে কথা বলার সময় সে জানায়, তারেক রহমানের সঙ্গে হাত মেলাতে পেরে সে ভীষণ খুশি। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী তাকে পড়ালেখার দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেছেন বলেও শিশুটি নিজের বক্তব্যে উল্লেখ করে। সে আরও জানায়, তার বাড়ি কেরানীগঞ্জে এবং সে প্রধানমন্ত্রীকে অনেকবার ডাকছিল। তার সেই ডাকেই সাড়া পেয়ে কাছে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে বলে সে আনন্দ প্রকাশ করে।

আসলে শি*শু*দের কাছে এমন একটি মুহূর্ত শুধু সাময়িক আনন্দের বিষয় নয়, এটি হয়ে উঠতে পারে সারাজীবনের মনে রাখার মতো স্মৃতি। বড় কোনো পরিচয়, ক্ষমতা কিংবা আয়োজনের চেয়ে একজন শিশুর প্রতি সামান্য আন্তরিকতা ও স্নেহ অনেক সময় মানুষের মনে গভীর ছাপ ফেলে।

হাজারো মানুষের ভিড়ে একটি শিশুর ডাক শোনা এবং তার সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। শি*শুটির সরল আনন্দ যেন মনে করিয়ে দেয়, মানুষের জীবনে ছোট ছোট সুন্দর মুহূর্তই অনেক সময় সবচেয়ে বড় স্মৃতি হয়ে থাকে।

একটি শি*শুর মুখে এমন নির্মল হাসি—সত্যিই আনন্দের একটি সুন্দর মুহূর্ত।
ছবিটা এআই দিয়ে এডিট করা হয়েছে।

Author: Janatar Barta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *