কিশোরগঞ্জের পা’গলা মসজিদে গত কয়েক বছরে জমা পড়েছে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্ব’র্ণাল’ঙ্কার…see more

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে গত কয়েক বছরে জমা পড়েছে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার! 😳
হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন! ১০০ বা ২০০ ভরি নয়, একেবারে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ! কেজির হিসাবে প্রায় ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম!
আর রুপার জিনিস জমা পড়েছে ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা, যার ওজন প্রায় ১২ কেজি ৬৯০ গ্রাম!
একবার ভাবেন তো, এত এত সোনা-রুপা! এগুলো কোনো রাজপ্রাসাদের গুপ্তধন নয়, কোনো ধনকুবেরের ব্যক্তিগত সংগ্রহও নয়! মানুষের দান করা সম্পদ!
আর টাকার হিসাবটা তো বাদই দিলাম! পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুললেই কোটি কোটি টাকা পাওয়া যায়। প্রতিবারই নাকি জমা পড়ে ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত!
কিন্তু আমার মাথায় একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে!
এত এত সোনা-রুপা কারা দান করেন? কী তাঁদের পরিচয়? কী এমন আশা নিয়ে তাঁরা নিজেদের মূল্যবান সম্পদ মসজিদের দানবাক্সে জমা দেন?
কেউ কি নিজের মনের কোনো আশা পূরণের প্রত্যাশায় দেন? কেউ কি বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায়? নাকি নিছক আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়তে?
আর যাঁরা এসব দান করেন, তাঁদের মনের সেই আশা-আকাঙ্ক্ষাগুলো কি সত্যিই পূরণ হয়? নাকি কিছু চাওয়া পূরণ হয়, কিছু চাওয়া অপূর্ণই থেকে যায়?
সবচেয়ে অবিশ্বাস্য ব্যাপার হলো, শুধু আমাদের দেশের মানুষ না৷ এ মসজিদে দেশের বাহিরে থেকে এসেও ডলার ইউরো দান করছে৷
আপনার কি মনে হয়! আসলেই কি মানুষের মনের আশা পূরন হচ্ছে? নাকি সবাই দিচ্ছে মনে করে বাকিরাও দিচ্ছে?

Author: Janatar Barta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *