গতকালের সেই ‘ভাইরাল’ অটোরিকশাচালকের গল্পটা শুনলাম! 🥹
ভদ্রলোক চার বছর আগে স্ট্রোক করেছিলেন। উনার থাকার ঘরটার অবস্থা এমন যে, একটু লম্বা মানুষ সোজা হয়ে দাঁড়ালেই মাথা ছাদে লেগে যায়! নিজের মেয়েকে খাওয়ানোর মতো কিছুই ছিল না ঘরে। তাই অসুস্থ শরীর নিয়েই জীবিকার তাগিদে বের হয়েছিলেন তিনি। এরপরের ঘটনা তো কমবেশি সবাই জানেন।
আজ দেখলাম, কয়েকজন মানুষ উনার বাসায় গিয়েছেন। এছাড়া ‘পথশিশু ফাউন্ডেশন’ থেকে উনার জন্য চাকরির ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। উনার কান্নাভেজা ভিডিও দেখে অসংখ্য মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চেয়েছেন। যেহেতু অটোরিকশাটি অবৈধ, তাই সেটির বাইরে অন্যভাবে উনাকে সহযোগিতা করা হবে। অনেকে কয়েক মাসের বাজার করে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
একবার ভাবুন তো, গতকালও মানুষটা কী অসহায় অবস্থায় ছিলেন! আর আজ কত মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জন্য এগিয়ে এসেছেন!
আল্লাহ চাইলে মানুষের জীবন বদলে দিতে কতক্ষণই বা লাগে!
আমরা অনেক সময় একটা দরজা বন্ধ হয়ে যেতে দেখে হতাশ হয়ে পড়ি। অথচ আমরা জানিই না, সেই বন্ধ দরজার ওপাশে হয়তো আমাদের জন্য আরও সুন্দর কোনো দরজা খোলার অপেক্ষায় আছে।
গতকাল যিনি মেয়ের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার চিন্তায় অসুস্থ শরীর নিয়েও রাস্তায় নেমেছিলেন, আজ তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জন্য এত মানুষ এগিয়ে এসেছেন। এটাই তো আশার কথা, এটাই তো মানবতা!
একটা দরজা বন্ধ হয়ে গেলে হতাশ হবেন না। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন। কারণ, আল্লাহর পরিকল্পনা আর তাঁর দেওয়া সুযোগ কখন, কীভাবে আপনার জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসবে, তা আপনি জানেন না।
আল্লাহর ‘টাইমিং’টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ❤️