মাছরাঙা টিভির পেজে পোস্ট হওয়া নিজের AI ভিডিও নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন মেহজাবীন চৌধুরী… more

মাছরাঙা টিভির পেজে পোস্ট হওয়া নিজের AI ভিডিও নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন মেহজাবীন চৌধুরী। আক্ষেপ নিয়ে অনেক কথাই বলেছেন তিনি।
মেহুর কথাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন,
“AI ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়। এটি একটি অপরাধ।
কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে হলে তাকে আমাদের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন?
একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত, তখন কেমন লাগত!”**
মেহুর কথার সঙ্গে আমি পুরোপুরি একমত। ❤️
মাছরাঙা টিভির ইনস্টাগ্রামে মেহজাবীন ও পরীমনিকে নিয়ে যে ভিডিও পোস্ট করা হয়েছিল, সেটি ছিল AI দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও। অথচ এমন ভিডিও দেখার জন্য কিছু মানুষের যে পরিমাণ আগ্রহ, তা দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি!
আমি যখন পোস্ট করে বলেছিলাম, এমন ঘটনার জন্য মেহু ও পরীমনির মাছরাঙা টিভির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা উচিত, তখন সেই পোস্টের কমেন্টে, এমনকি আমার ইনবক্সেও কিছু মানুষ লিংকের জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিল!
একবার ভাবুন, একটা মানুষের সম্মানহানি হচ্ছে, তাকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে, আর কিছু মানুষের কাছে এসবই বিনোদন! তাদের কাজ হচ্ছে, যেভাবেই হোক ভিডিওটা দেখতে হবে, লিংকটা পেতে হবে!
শুধু আমার পোস্টেই নয়, মেহুর নিজের পোস্টের কমেন্টেও এমন মানুষের অভাব নেই!
আচ্ছা, একটা প্রশ্ন করি! আপনার মা, বোন কিংবা স্ত্রীকে নিয়ে যদি কেউ এমন আপত্তিকর ভুয়া ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দিত, তখনও কি আপনি সেটাকে বিনোদন হিসেবে নিতেন? নাকি তখন আপনার সম্মানবোধ জেগে উঠত?
একজন নারীকে সম্মান করার জন্য তিনি আপনার পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন? একজন মানুষকে সম্মান করার জন্য তার সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকতে হবে কেন?
AI প্রযুক্তি এসেছে মানুষের সৃজনশীলতাকে এগিয়ে নিতে, কারও সম্মানহানি করতে নয়। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কাউকে হেয় করা যেমন অনৈতিক, তেমনি জেনেশুনে এমন কনটেন্টের পেছনে ছোটা এবং সেগুলো ছড়িয়ে দেওয়াও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ।

Author: Janatar Barta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *