মেয়ে স’ন্তান বাবা-মায়ের জী’/বনে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক অ’পূর্ব রহমত… more

মেয়ে সন্তান বাবা-মায়ের জীবনে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক অপূর্ব রহমত
মেয়ে সন্তান শুধু একটি পরিবারের সদস্য নয়, সে বাবা-মায়ের জীবনে ভালোবাসা, মায়া-মমতা ও আনন্দের এক অনন্য উপহার। একটি ছোট্ট মেয়ের হাসি, তার মিষ্টি কথা, বাবার হাত ধরে হাঁটা কিংবা মায়ের আঁচল জড়িয়ে থাকার মুহূর্তগুলো একটি পরিবারকে পরিপূর্ণতার অনুভূতি দিতে পারে। ইসলামের দৃষ্টিতেও কন্যাসন্তানকে অবহেলা না করে ভালোবাসা, যত্ন ও মর্যাদার সঙ্গে বড় করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মেয়েসন্তান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ নিয়ামত
একটি সন্তান ছেলে হোক কিংবা মেয়ে—প্রতিটি সন্তানই বাবা-মায়ের জন্য মূল্যবান আমানত। সন্তানকে সুশিক্ষা দেওয়া, সুন্দর চরিত্র গঠনে সহায়তা করা এবং ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তোলা বাবা-মায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করলে তাকে বোঝা মনে করা কিংবা ছেলেসন্তানের তুলনায় কম গুরুত্ব দেওয়া ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

পবিত্র কোরআনে কন্যাসন্তানের জন্ম নিয়ে তৎকালীন সমাজের নেতিবাচক মনোভাবের সমালোচনা করা হয়েছে। সূরা আন-নাহল-এর ৫৮–৫৯ নম্বর আয়াতে কন্যাসন্তানের জন্মের সংবাদে কিছু মানুষের দুঃখ ও লজ্জাবোধের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে কন্যাসন্তানকে অবজ্ঞা করার মানসিকতার অসারতা স্পষ্ট হয়।

বাবার কাছে মেয়ের ভালোবাসা, মায়ের কাছে এক টুকরো হৃদয়
একটি মেয়ে যখন বাবাকে জড়িয়ে ধরে, ছোট্ট হাতে মায়ের মুখ ছুঁয়ে দেয় কিংবা নিজের মতো করে পরিবারের সবাইকে ভালোবাসতে শেখে, তখন ঘরের পরিবেশ হয়ে ওঠে আরও মধুর। তার বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাবা-মায়ের জীবনে জমা হয় অসংখ্য স্মৃতি—প্রথম হাঁটা, প্রথম কথা বলা, স্কুলে যাওয়ার আনন্দ কিংবা ছোট ছোট আবদার।

তবে মেয়ের প্রতি ভালোবাসা শুধু আবেগের বিষয় নয়। তার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও স্বপ্নপূরণের সুযোগ দেওয়া এবং নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

কন্যাসন্তানকে সুন্দরভাবে বড় করা বাবা-মায়ের দায়িত্ব
ইসলামে সন্তানদের প্রতি ন্যায়বিচার, দয়া ও উত্তম আচরণের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। তাই ছেলে ও মেয়ের মধ্যে বৈষম্য না করে উভয়কে সমান মর্যাদা দেওয়া উচিত। মেয়েকে শিক্ষিত, আত্মবিশ্বাসী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা তার নিজের জীবনকে যেমন সমৃদ্ধ করে, তেমনি পরিবার ও সমাজের জন্যও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

কন্যাসন্তানকে শুধু ভবিষ্যতে পরিবারের যত্ন নেবে—এই প্রত্য

Author: Janatar Barta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *