সিফাতুনের পর এবার তানিয়া! চট্টগ্রামে যৌ*তু*ক ও দামি উপহারের দাবিকে কেন্দ্র করে নি*র্যা*ত*নের অ’ভিযোগ, প্রাণ গেল ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর! 😥
চার-পাঁচ বছরের ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল চট্টগ্রামের পটিয়ার তানিয়া ও নূর উদ্দীনের। দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়েও হয়েছিল তাঁদের। নতুন সংসার, আর মাত্র কিছুদিন পর পৃথিবীতে আসার কথা অনাগত সন্তানের—তানিয়ার চোখেও নিশ্চয়ই ছিল সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।
কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না!
তানিয়ার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর প্রথম দিকে সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও পরে যৌ”তুক ও দামি উপহারকে কেন্দ্র করে সংসারে অশান্তি শুরু হয়। ঈদে মেয়ের বাবা সামর্থ্য অনুযায়ী উপহার দিলেও তাতে শাশুড়ি সন্তুষ্ট হতেন না বলে দাবি পরিবারের।
অ’ভিযোগ, সম্প্রতি আবারও কাপড়চোপড় ও যৌ*তু*কে*র দাবি তোলা হয়। এসব দাবি পূরণ করতে না পারায় তানিয়াকে শারীরিক ও মানসিক নি*র্যা*ত*নের শিকার হতে হয়েছে।
সমস্যা সমাধানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশও হয়েছিল। কিন্তু তাতেও স্থায়ী সমাধান আসেনি বলে জানিয়েছে পরিবার।
শেষ পর্যন্ত রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পটিয়ার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই মোনাফ হাজির পাড়ায় মৃ*ত্যু হয় নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা তানিয়ার।
একদিকে সিফাতুনের মৃ*ত্যু, অন্যদিকে তানিয়ার এমন করুণ পরিণতি—পরপর এমন ঘটনা সত্যিই উদ্বেগজনক। তবে তানিয়ার মৃ*ত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পরিবারের আনা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
💔 একজন মেয়েকে বিয়ে দিয়ে তার পরিবার শুধু বিদায় দেয় না, তার সুখী জীবনের স্বপ্নও দেখে। সেই মেয়েকেই যদি যৌতুকের দাবির মুখে নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তাহলে সমাজ হিসেবে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি?
চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ—যৌ*তু*ক ও নারী নি*র্যা*তনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষী প্রমাণিত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত হোক। আর কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন এভাবে ভেঙে না যায়। 🥀
আপনার মতে, যৌ*তু*কের মতো সামাজিক ব্যাধি বন্ধ করতে পরিবার ও সমাজের পক্ষ থেকে এখন কী পদক্ষেপ নেওয়া সবচেয়ে জরুরি?